Admin No Comments

কয়েক বছর ধরে চিনের কাছে পিছিয়ে থাকার পর আবারও বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির কম্পিউটারের জায়গা দখল করে নিয়েছে আমেরিকা। ডিপার্টমেন্ট অফ এনার্জি ‘সামিট’ নামের নতুন এই মেশিন উন্মোচন করে। এই সুপারকম্পিউটার বানাতে তারা কম্পিউটার নির্মাতা মার্কিন সংস্থা আইবিএম আর চিপ নির্মাতা সংস্থা এনভিডিয়া’র সঙ্গে মিলে কাজ করেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে আইবিএম প্রধান নির্বাহী জিনি রমেটি বলেন, আইবিএম এই সুপারকম্পিউটার বানিয়েছে। তিনি বলেন, “এটি আসলেই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি। এটি দ্রুততম, দ্রুততম সুপারকম্পিউটার।” একে আইবিএম-এর কম্পিউটার সিস্টেম ওয়াটসন-র ‘নাতি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন তিনি।

সামিট সেকেন্ডে সর্বোচ্চ দুই লাখ ট্রিলিয়ন হিসাব করার ক্ষমতা রাখে। বর্তমানে আমেরিকার সবচেয়ে ক্ষমতাধর সুপারকম্পিউটার টাইটান-এর চেয়ে এটি আটগুণ বেশি ক্ষমতাধর। এটি বানাতে চার বছর লেগেছে বলে জানিয়েছেন রমেটি।

রমেটি ওই সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে আরও জানিয়েছেন, গবেষকদের জন্য “যে পরীক্ষা করতে ২৭ বছর থেকে ১৩ হাজার বছরের সময় লাগতে পারত, তা তারা এর মাধ্যমে একদিনেই করতে পারবেন।” এমনকি এটি ব্যবহারের মাধ্যমে “ক্যান্সারের নতুন চিকিৎসা” উদ্ভাবন করা যেতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সামিট আসার আগে বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটারের মালিক দেশগুলোর তালিকায় পঞ্চম স্থানে ছিল আমেরিকা। এখন তা আবার এক নম্বরে চলে আসবে বলে জানান মার্কিন এনার্জি সেক্রেটাই রিক পেরি। এর আগে বিশ্বের তালিকার শীর্ষ দুই কম্পিউটারের মালিক চিনকে আবারও শীর্ষস্থান দখলে নিতে কষ্ট করতে হবে বলেও মন্তব্য তার।