Admin No Comments

ইন্টারনেট এ ওয়েব অ্যাপস যেগুলো পিসি সফটওয়্যারকে রিপ্লেস করে।

প্রতিনিয়ত ইন্টারনেট যেভাব উন্নত হচ্ছে সেভাবেই ইম্প্রুভ হচ্ছে ইন্টারনেটের কন্টেন্টগুলো। তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন অনেক মজার মজার ইন্টারেস্টিং ওয়েবসাইট এবং অনেক অনেক কাজের ওয়েব অ্যাপস। ইন্টারনেট এ ওয়েব অ্যাপস যেগুলো পিসি সফটওয়্যারকে রিপ্লেস করে।

→ ওয়েব অ্যাপ কি এবং কিভাবে কাজ করে? এর উপকারিতা কি?

এমনকি এখনকার সময়ে এমন অনেক ওয়েবসাইট এবং ওয়েব অ্যাপস আছে যেগুলো সত্যিকার অর্থেই আপনার পিসির কিছু কিছু সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে রিপ্লেস করে ফেলতে পারে। অর্থাৎ এই ওয়েব অ্যাপসগুলো আপনার পিসির কিছু কিছু সফটওয়্যারের কাজ ওয়েবেই আরও সহজে এবং আরও ভালোভাবে করে ফেলতে পারে। যার ফলে এই ওয়েব অ্যাপগুলো ব্যবহার করলে আপনাকে এক্সট্রা কোন উইন্ডোজ সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবেনা।

Pixlr Editor

সহজে ইমেজ এডিট করার জন্য Pixlr Editor

নাম শুনেই বুঝতে পারছেন যে এটি একটি ইমেজ এডিটর। অন্যান্য ইমেজ এডিটরের সাথে এর পার্থক্য হচ্ছে, এটির ইউজার ইন্টারফেস একেবারেই ফটোশপের মতো। ফাংশনালিটির দিক থেকে ফটোশপের মতো না এবং তা হওয়ারও কথা না। তবে অন্যান্য অধিকাংশ ইমেজ এডিটরের থেকে এটিতে অনেক বেশি ফিচারস পাবেন। আপনি যদি ইমেজ এডিটিং এর ক্ষেত্রে ফটোশপেই অভ্যস্ত হন, তাহলে আপনার কাছে এই ইমেজ এডিটরটিও ভালো লাগবে কারন এটি এবং ফটোশপের মধ্যে অনেকটাই সিমিলারিটি আছে। এমনকি ফটোশপের কয়েকটি অ্যাডভান্সড টুলসও আপনি পাবেন এই ইমেজ এডিটরে।

ওয়েব অ্যাপস

এই ইমেজ এডিটরটিকে F11 চেপে ক্রোম থেকে ফুলস্ক্রিন মোড করে নিলে একেবারেই ফটোশপের মতো একটি স্ট্যান্ডঅ্যালোন পিসি সফটওয়্যারের মতো বিহেভ করে। এমনকি ফটোশপের ওপরে যে ছোট ছোট ট্যাবগুলো থাকে সেগুলোও আছে এই ইমেজ এডিটরে। এছাড়া নিজের ইচ্ছামত ব্ল্যাংক ক্যানভাস থেকে এডিট শুরু করা এবং নিজের পিসি থেকে ইমেজ সিলেক্ট করে এডিট করা এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকে ইমেজ ইমপোর্ট করে এডিট করার সুযোগও থাকছে এই ইমেজ এডিটরে। এছাড়া ফটোশপের মতো লেয়ার তৈরি করার সুবিধাও থাকছে। এই ইমেজ এডিটরটি সম্পূর্ণ বিনামুল্যে উপভোগ করা যাবে, তবে ছোট ছোট কয়েকটি অ্যাডস আছে, যদিও সেগুলো খুব একটা বিরক্তির কারন হয়না।

TinyPNG

ইমেজ কম্প্রেস করে সাইজ কমানোর জন্য TinyPNG

এটি একটি ইমেজ কনভার্টার বলতে পারেন। ইমেজ কনভার্টার বলতে এটি শুধুমাত্র একটি কাজই করতে পারে, তা হচ্ছে ইমেজের সাইজ ছোট করা। অনেকসময় আমাদের সবারই কোন একটি ইমেজের সাইজ ছোট করার দরকার পড়ে। আপনার যদি একটি ব্লগ বা একটি ওয়েবসাইট থাকে, তাহলে আপনি ভালো বুঝবেন যে ইমেজের সাইজ কেন ছোট করার দরকার। ছোট সাইজের ইমেজ ব্যবহার করলে আপনার ওয়েবসাইটটি অনেক দ্রুত লোড হতে পারবে। এছাড়া অনেকসময় অনেক জায়গায় প্রোফাইল পিকচার কিংবা অ্যাভাটার আপলোড করার জন্যও আমাদের ছোট সাইজের ইমেজের দরকার পড়ে।

ওয়েব অ্যাপস

ইমেজ এডিট করার জন্য হয়তো আপনি অনেক ভারি ভারি সফটওয়্যারের সাহায্য নিয়ে থাকেন। তবে ইমেজ সাইজ ছোট করার জন্য আপনি আলাদা কোন সফটওয়্যারের সাহায্য না নিয়ে TinyPNG নামের এই ওয়েব অ্যাপটির বা ওয়েবসাইটটির সাহায্য নিতে পারেন। এখানে শুধুমাত্র আপনার JPG অথবা PNG ইমেজটি আপলোড করে দেবেন এবং এটি আপনার ইমেজটির সাইজ ৫-৬ ভাগ কমিয়ে দেবে। যেমন- একটি ৪ মেগাবাইটের ইমেজকে কম্প্রেস করে এটি ৫০০ কেবিও করে দিতে পারে। এক্ষেত্রে ছবির কোয়ালিটি কিছুটা কমে যায় ঠিকই, তবে দুটি ছবি পাশাপাশি ধরে খুব ভালোভাবে খেয়াল না করলে আপনি সহজে কোয়ালিটির কোন পার্থক্যই খুঁজে পাবেন না।

ভিজিট TinyPNG

Online-Convert

মিডিয়া কন্টেন্ট একটি ফরম্যাট থেকে আরেকটি ফরম্যাটে কনভার্ট করতে Online-Convert

আমাদের সবারই অনেকসময় অনেক মিডিয়া কন্টেন্ট কনভার্ট করার দরকার হয় একটি ফরম্যাট থেকে আরেকটি ফরম্যাটে। যেমন একটি ইমেজকে JPG থেকে PNG, অনেকসময় কোন ভিডিও কন্টেন্টকে MP4 থেকে AVI ইত্যাদি এমন অনেক মিডিয়া কন্টেন্টকে আমাদের কনভার্ট করার দরকার পড়ে। এক্ষেত্রে আমরা সবাই প্রায় থার্ড পার্টি সফটওয়্যার যেমন Format Factory, HandBrake ইত্যাদি। তবে আপনি যদি এই কাজের জন্য আলাদা কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে না চান, তাহলে এই ওয়েবসাইটটি বা ওয়েব অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন। এখানে এককথায় বলতে হলে আপনি যেকোনো ফরম্যাটের যেকোনো মিডিয়া কন্টেন্ট যেকোনো এভেইলেবল ফরম্যাটে কনভার্ট করে নিতে পারবেন।

আরো পড়ুন:  নেট নিউট্রালিটি কি? ওপেন ইন্টারনেট আজ ধ্বংসের পথে!

ওয়েব অ্যাপস

তবে আমি বলবো এই ওয়েবসাইটটি তখনই ব্যবহার করবেন যখন আপনার হাই স্পিড ইন্টারনেট কানেকশন এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ থাকবে। কারন, এখানে কোন কন্টেন্ট কনভার্ট করার জন্য আপনাকে আপনার ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করে আপলোড করতে হবে এবং কনভার্ট করা হয়ে গেলেও আপনাকে আপনার ব্যান্ডউইথ কনজিউম করেই ডাউনলোড করতে হবে মিডিয়া কন্টেন্টটি। তাই যদি ব্যান্ডউইথ এবং ইন্টারনেট স্পিড নিয়ে কোনরকম সমস্যা না থাকে, তাহলে এই ওয়েব অ্যাপস টি আপনি ব্যবহার করে দেখতেই পারেন।

ভিজিট Online-Convert

 PDF Editor

সহজে যেকোনো পিডিএফ ফাইল এডিট করতে PDF Editor

আমি জানি এটার নাম শুনেই আপনি বুঝে গিয়েছেন যে এটি কি ধরনের ওয়েব অ্যাপ এবং এটির কাজ কি। আমরা অনেকেই পিডিএফ ফাইল এডিট করার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভারি ভারি প্রোগ্রাম ইন্সটল করে রাখি পিসিতে। তবে শুধুমাত্র পিডিএফ এডিট করার জন্য এত ভারি ভারি প্রোগ্রাম ইন্সটল করে রাখার কোন দরকারই নেই, যেখানে এই সিম্পল কাজটি আপনি আপনার ওয়েব ব্রাউজারে একটি ওয়েব অ্যাপ ব্যবহার করেই করে ফেলতে পারেন। এই ওয়েবসাইটটিতে আপনাকে জাস্ট একটি পিডিএফ ফাইল আপলোড করতে হবে যেটি আপনি এডিট করতে চান।

এই ওয়েব অ্যাপটির ইউজার ইন্টারফেসও যথেষ্ট মিনিমাল এবং খুবই সহজ। আপলোড করেই আপনার পিডিএফ এর এডিটেবল অংশগুলো আপনাকে দেখানো হবে এবং সেখানে আপনি ইচ্ছামত এডিট করতে পারবেন। যেমন আপনি নিজের ইচ্ছামত যেকোনো ফর্ম পূরণ করতে পারবেন, ছবি অ্যাড করতে পারবেন, আইকন অ্যাড করতে পারবেন, যেকোনো লেখা মুছে দিতে পারবেন, পিডিএফ সাইন করতে পারবেন এবং আপনি চাইলে একটি ব্ল্যাংক পেজ থেকে নিজের ইচ্ছামত পিডিএফ তৈরিও করতে পারবেন। এছাড়া এখানে আপনি যেকোনো বড় সাইজের পিডিএফ আপলোড করে সেটি কম্প্রেস করে সাইজও কমিয়ে ফেলতে পারবেন।

Skype WEB

স্কাইপের আনরেসপনসিভ ডেক্সটপ অ্যাপ ব্যবহার করতে না চাইলে Skype WEB

যারা ভিডিও কলিং এর জন্য স্কাইপ ব্যবহার করেন এখনো এবং উইন্ডোজ ১০ এর ডিফল্ট স্কাইপ অ্যাপ নিয়ে পড়ে আছেন, তাদের জন্য এই ওয়েব অ্যাপটি। আপনি যদি মাইক্রোসফটের তৈরি অফিশিয়াল উইন্ডোজ ১০ এর স্কাইপ অ্যাপটি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আপনি জানেন যে এই অ্যাপটি খুবই আনরেস্পন্সিভ এবং অনেক সময় ব্যবহার করারই অযোগ্য হয়ে পড়ে। এছাড়া স্কাইপের যে Win32 অ্যাপটি আছে সেটির ডিজাইন খুব বেশি আপডেটেড নয় এবং সেটি খুবই ভারি একটি অ্যাপ। তাই স্কাইপের কোন ডেস্কটপ ক্লায়েন্টই যাদের পছন্দ হয়না, তারা স্কাইপের অফিশিয়াল ওয়েব অ্যাপস টি ব্যবহার করতে পারেন।

ওয়েব অ্যাপস

স্কাইপ ওয়েব অ্যাপটি ব্যবহার করতে আপনার শুধুমাত্র দরকার হবে একটি মডার্ন ওয়েব ব্রাউজার, একটি স্কাইপ অ্যাকাউন্ট বা মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্ট এবং মোটামুটি ফাস্ট একটি ইন্টারনেট কানেকশন। আপনি স্কাইপ ওয়েব গুগল ক্রোম, মাইক্রোসফট এজ, মজিলা ফায়ারফক্স ইত্যাদি সবজায়গায় ব্যবহার করতে পারবেন। স্কাইপের ওয়েব অ্যাপটির সাহায্যে আপনি ভয়েস কল, ভিডিও কল, ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট সেন্ড এবং রিসিভ এবং এমনকি স্কাইপ– ল্যান্ডলাইন বা স্কাইপ ডাইরেক্ট কলও করতে পারবেন যেগুলো স্কাইপ ক্রেডিটের সাহায্যে করতে হয়।

 

Admin No Comments

ফটোশপ এর ৫টি সেরা ফ্রি অনলাইন ফটো এডিটিং টুলস।

অ্যাডোবি ফটোশপ ( Adobe Photoshop) একটি গ্রাফিক্স সম্পাদনাকারী সফটওয়্যার। সাধারণ ভাবে সফটওয়্যারটিকে শুধুমাত্র ফটোশপ নামেই ডাকা হয়। এই সফটওয়্যারটি তৈরি করেছে অ্যাডোবি সিস্টেমস। অ্যাডোবির সবথেকে জনপ্রিয় সফটওয়্যার এটি। বর্তমানে এই সফটওয়্যারটি ম্যাক ওএস এবং উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য পাওয়া যায়। এই সফটওয়্যারটির ১৩ তম সংস্করণ (ফটোশপ সিএস ৬) প্রকাশিত হয়েছে। থমাস নল (Thomas Knoll) এবং জন নল (John Knoll) নামের দুই ভাই ১৯৮৭ সালে ফটোশপ তৈরির কাজ আরম্ভ করেন।

ফটোশপ এর বিকল্প  ৫টি সেরা ফ্রি অনলাইন ফটো এডিটিং টুলস নিয়ে আলোচনা করব।

প্রতিদিন নানা কাজে আমাদের টুকিটাকি ইমেজ বা ছবি এডিট করার প্রয়োজন পড়ে। ছবি ব্লারিং করা,রিসাইজিং করা ইত্যাদি নানা কারনে আমরা ফটোশপ,পিক্সেলমেটর, পিক্সআর্ট এমনকি গিম্প এর মত ম্যানুপুলেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করি। তবে আপনি যদি কেনো প্রোফেশনাল ফটো এডিটর না হন বা কোনে প্রোফেশনাল কাজের জন্য যদি না হয় এবং অকারনেই  এসব ভারী  ভারী ফটো ম্যানুপুলেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করার কোনো মানেই হয়না। আজকে আমি পাঁচটি ফ্রি অনলাইন ফটো এডিটিং টুলস সম্পর্কে আলোচনা করব যা আপনার প্রতিদিনকার টুকিটাকি ইমেজ এডিটিংকে অনেকটা সহজ করে দিতে পারবে।

আমাদের সবারই অনেকক্ষেত্রে নানাকাজে স্ক্রীনশট শেয়ার করার প্রয়োজন পড়ে। অনেকক্ষেত্রে আপনি হয়ত ব্লগ পোস্টে বা ইউটিউব ভিডিওতে টিউটোরিয়াল এর স্বার্থে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনোকারনে যখন স্ক্রীনশট শেয়ার করেন, তখন সেই স্ক্রীনশটে অনেকসময় এমন কিছু অংশ থাকে যা হয়ত আপনি সবার সাথে শেয়ার করতে চাননা; আর এসময় হয়ত আপনি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ফটোশপ এর মত সফটওয়্যার এর সরনাপন্ন হন এবং আপনি যে সকল অংশ চান তা ব্লার করে ফেলেন। তবে আপনি খুবই সহজে অনলাইনে একটি সিম্পল ফ্রি ফটো ব্লারিং টুলস ব্যবহার করে এই কাজটি সহজেই করতে পারেনন। এর ঠিকানা হল imageblur.io; আপনার হার্ড ডিস্ক থেকে বা ফোল্ডার থেকে যেকোন ছবি ড্র্যাগ এবং ড্রপ করে এখানে আপলোড করতে পারবেন।

কাজটি করার জন্য এই টু্লটি অত্যান্ত সহজ। স্ক্রিনশট বা ছবির যে যে অংশে আপনি ব্লার ইফেক্ট প্রয়োগ করতে চান তার অপর চারকোনা একটা বক্স একে সিলেক্টেড করে দিন অতঃপর উপরে ডানপাশে থাকা Blur It বাটনে ক্লিক করুন। এভাবে ছবির যে যে অংশে আপনি ব্লার ইফেক্ট প্রয়োগ করতে চান একই প্রক্রিয়া অনুসরন করে ব্লার করতে পারেন। অতঃপর আপনি ফ্রি আপনার ছবিটি ডাউনলোড করতে পারেন। আর যেহেতু এখানে কোনোরকম ইমেইল প্রদান সর্বপরি সাইন আপ করতে হয় না ; তাই অনেকটা ঝামেলামুক্ত ভাবে কয়েক সেকেন্ড এর ভেতর ঠিক যে কাজটা করা দরকার ছিল তা সমাধা করা যায়।

অনেক ক্ষেত্রে অনলাইন মিম বানানোর ক্ষেত্রে বা ছবিতে যেকোন রকম লেখা বা টেক্সট যুক্ত করার ক্ষেত্রে আমরা অনেকে ফটোশপ এর মত ফটো এডিটিং সফটওয়্যার ইউজ করি। আর কেবল এই ছোট্ট কাজের জন্যই কেবল ফটোশপ বা গিম্প এর মত ভারী সফটওয়্যারকে ব্যবহার করা আমার কাছে ভালো লাগে না। আর সে কারনে অনলাইন মিম বানানোর ক্ষেত্রেই হোক বা ছবিতে ক্যাপশন যুক্ত করার ক্ষেত্রেই হোক AddText নামক এই অনলাইন যেকোনো ছবিতে টেক্সট যুক্ত করার টুলসটি আপনার খুব কাজে দেবে!

যেকোন ছবি আপনি এখানে আপলোড করার পরপরই আপনি ছবিতে অনেক টেক্সট অ্যাড করতে পারবেন। একেকটি টেক্সট বক্স হতে পারে একেক ফন্ট, একেক স্টাইল বা ইফেক্ট এমনকি একেক ডিজাইন এর। এখানে আগে থেকে অনেক প্রিসেট ফন্ট ডিজাইন অপশন পাওয়া কারনে আপনার ছবিতে দারুম ডিজাইন এর টেক্সট অ্যাড করতে বেশি বেগ পেতে হবেনা। আর মোবাইল ফোনে এই ওয়েবসাইটে কাজ করা হয়ত আপনার জন্য একটু কষ্টকর হতে পারে। তবে চিন্তার কিছ নেই AddText এর অনলাইন ভার্সনের এর বিকল্প হিসেবে আপনি গুগল প্লে স্টোর এবং অ্যাপেল স্টোরে এর মোবাইল অ্যাপলিকেশন খুঁজে পাবেন। আর মজার ব্যাপার হল অনলাইন ভার্সনের মত এর মোবাইল ভার্সনও নো সাইন-আপ অ্যাপ; যার ফলে কোনো বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই আপনি আপনার কাঙ্খিত কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন।

সামাজিক মাধ্যমে আমরা ছবি আপলোড করিনা এরকম খুবই কমই আছি,অনেক ক্ষেত্রে একদম নেই বললেই চলে। বিশেষ করে আমরা যারা বিজনেস পেইজ পরিচালনা করি তাদেরকে এই বিষয়টি অনেক বেশি মাথায় রাখতে হয়। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম বা সোশ্যাল মিডিয়ায় একেক ছবির স্কেল একেক সাইজে নির্ধারিত করে থাকে। আর সবচাইতে ভালো হয় এসব নির্দিষ্ট স্কেলে প্রতিটি ছবিকে ক্রপ করে তারপর আপলোড করা। যেমন ফেসবুকে প্রোফাইল ফটো এর স্কেল হওয়া উচিত ১৮০*১৮০, পোস্ট ইমেজ এর সঠিক স্কেল হওয়া উচিড ১২০০*৬৩০ আবার কভার ফটো এর স্কেল হওয়া উচিত ৮৫১*৩১৫ ; এরকম ভাবে টুইটার,গুগল প্লাস এমনকি লিংকড ইন এর জন্য আলাদা আলাদা সোশ্যাল মিডিয়া চিট সীট রয়েছে। তবে সত্যি কথা বলতে গেলে এগুলো মনে রেখে তারপর ফটোশপ ওপেন করে ইমেজ ক্রপ করা বড্ড ঝামেলার বিষয়। তারপর অনেক সময় এসব সোশ্যাল মিডিয়া একেক আপডেটে তাদের এসব ইমেজ এর স্ট্যান্ডার্ড স্কেলকে পরিবর্তনও করে থাকে। আর ঠিক এইখানে আপনার সহযোগিতা করতে পারে সোশ্যাল ইমেজ রিসাইজার টুল। এখানে আপনি আপনার ইমেজকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার সাপেক্ষে তার স্ট্যান্ডার্ড ইমেজ ডাইমেনশন স্কেল আকারে ক্রপ করতে পারবেন। আর সোশ্যাল মিডিয়া কোনোকারনে তাদের ইমেজ এর ডাইমেনশন স্ট্যান্ডার্ড পরিবর্তন করলেও আপনাকে চিন্তা করতে হবেনা এখানেও তা আপডেট হয়ে যাবে।

আরো পড়ুন:  নেটওয়ার্ক পোর্ট কি? ইন্টারনেট পরিকাঠামো নিয়ে বিস্তারিত

BIRME এর পূর্নরূপ হল Bulk Image Resizing Made Easy। আর এটি অনেক কার্যকরী এবং উপকারী একটি অনলাইন ইমেজ এডিটিং টুল। অনেক সময় আপনার অনেক গুলো ইমেজকে একসাথে রিসাইজ বা একসাথে একই ধাচের নামকরন দেয়ার প্রয়োজন হতে পারে। আর সেক্ষেত্রে এই ফ্রি অনলাইন ফটো এডিটিং টুলসটি আপনার জন্য। এখানে আপনি একসাথে কয়েকটি ছবি আপলোড করতে পারবেন এবং তা একযোগে রিসাইজ অথবা রিনেম করতে পারবেন। ধরুন আপনি এখানে অনেকগুলো ছবি এড করলেন আর এগুলোর নামের একটার সাথে আরেকটার মিল নেই অথবা আপনি চেনার সুবিদার্থে ছবিগুলো একই রকম নামককরন করতে চান; সেক্ষেত্রে Rename এর ট্যাবে আপনাকে লিখতে হবে MyImage-xx এখানে আপনি ৫ টি ইমেজ এর একসাথে রিনেম করলে সেগুলোর নাম এবার হয়ে যাবে; MyImage-01,MyImage-02,MyImage-03 এরকম।

রিসাইজিং এর ক্ষেত্রে আপনি এখানে ছবির উচ্চতার ক্ষেত্রে অটো প্রসস্থতা বা প্রসস্থতার সাপেক্ষে অটো উচ্চতা সিলেক্ট করে নিতে পারবেন। মজার ব্যাপার হল আপনি এখানে ইমেজ কোয়ালিটি কেমন চান তাও সিলেক্ট করে দিতে পারবেন, যা আমার কাছে সত্যিই দারুন লেগেছে। পাশাপাশি ইমেজে ইচ্ছেমত কালারের বর্ডার যুক্ত করার ফিচারটা এই টুলসটির জন্য একটি বড় প্লাস পয়েন্ট। আপনি আপনার কাজ শেষে প্রত্যেকটি ছবিকে আলাদা আলাদা ফাইল আকারে বা একেবারে জিপ ফোল্ডার আকারেও ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। এই অনলাইন টুলসটি ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও আপনার কোনোরকম সাইন আপ করার প্রয়োজন পড়ে না।

আপনি এই আর্টিকেলে উপরে যে স্ক্রীনশটগুলো ব্যবহার করা হয়েছে লক্ষ্য করেছেন হয়ত; অনেকে ভাবতে পারেন এগুলো হয়ত ফটোশপ দিয়ে করা; সুন্দর উইন্ডো এবং সুন্দর ব্যাকগ্রাউন্ড। তবে আমি স্ক্রীনশট এরকম সুন্দর করার জন্য ব্যবহার করেছি একটি অনলাইন টুলস যার নাম হল স্ক্রিলি।

স্ক্রিলি অনলাইন টুলসটি ব্যবহার করে আপনি খুবই সহজে যেকোন ছবি বিশেষ করে করে স্ক্রিনশটকে আরো সুন্দর করে উপস্থাপন করতে পারবেন; যা ফটোশপেও করা যেত তবে তা হত অনেক সময় সাপেক্ষ।